নিজস্ব প্রতিনিধি।।
বাগেরহাট থেকে পালিয়ে আসা স্কুল ছাত্রকে ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্তৃক উদ্ধার করেন এবং হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার ২০ মে ভোর অনুমান ০৫.০০ টার সময়ে মহিপুর থানাধীন তুলাতলি বাস স্ট্যান্ডে একজন শিশু কান্নাকাটি করছে মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হইয়া ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের টহল টিম ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে ১৩ বছর বয়স একজন শিশুকে উদ্ধার করে।
ট্যুরিস্ট পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি জানায় যে, ১৯/০৫/২৩খ্রিঃ রাতের বেলায় বাগেরহাট হইতে অন্যান্য যাত্রীদের সাথে সেভেন স্টার বাসে উঠে কুয়াকাটা চলিয়া আসে। কিন্তু ছেলেটিকে তাহার নাম-ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তার নাম ইকবাল হোসেন ইমন এবং পিতার নাম ইকবাল হোসেন পিন্টু ছাড়া আর কিছু বলতে পারে না। শিশু বাচ্চাটি বাস স্ট্যান্ডে শুধুই কান্নাকাটি করছে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত শিশুটিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ অফিসে নিয়ে অত্যন্ত আদর যতœ দিয়ে নাম-ঠিকানা উদঘাটনের চেষ্ঠা করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি শুধু নাম,ঠিকানা এবং বাঐডাঙ্গা ব্রজলাল মাধ্যমিক স্কুলে ৬ষ্ট শ্রেনীতে পড়ে মর্মে জানায়। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মহোদয়ের নির্দেশে শিশু বাচ্চার স্কুলটি অনলাইনের মাধ্যমে যাচাই করে দেখা যায় যে, বাঐডাঙ্গা ব্রজলাল মাধ্যমিক স্কুল নামে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার লখপুর ইউনিয়নে একটি স্কুল আছে।
পরবর্তীতে লখপুর ইউনিয়নের স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ মিজান এর মাধ্যমে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান এর মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করিয়া ছেলেটির অভিভাবক এবং গ্রামের ঠিকানার সন্ধান পাওয়া যায়। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে শিশুটির পিতা ইকবাল হোসেন পিন্টুর সাথে মোবাইলে কথা বলে শিশুটি বাড়ী হইতে পালিয়ে আসার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়। পরবর্তীতে ট্যুরিস্ট পুলিশ এর সংবাদমতে শিশুটির পিতা ইকবাল হোসেন পিন্টু বাড়ী হতে কুয়াকাটা এসে তাহার ছেলেকে শনাক্ত করে এবং তাহাকে নিজ জিম্মায় গ্রহন করে। ইকবাল হোসেন পিন্টু বলেন যে, তাহার ছেলে গত ১৯/০৫/২৩খ্রিঃ কাউকে কিছু না বলে বাড়ী হতে চলিয়া আসে। শিশু বাচ্চার বাবা তাহার সন্তানকে নিরাপদে পেয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।