
স্থানীয়দের অভিযোগ, উন্নয়নের নামে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও বাস্তবে বিদ্যুতের লোডশেডিং, ভোল্টেজ সমস্যা ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখনো নিত্যদিনের দুর্ভোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
সচেতন মহল বলছে, সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সাবস্টেশনটি যদি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারে, তবে সেই উন্নয়ন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও যদি মানুষ অন্ধকারে থাকে, তাহলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ গ্রাহকদের অভিযোগ, সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ চলে যায় এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা তা ফিরে আসে না। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।
এদিকে বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন কারিগরি জটিলতা ও সমন্বয়ের সমস্যার কথা উল্লেখ করলেও দ্রুত কার্যকর সমাধান চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তারা অবিলম্বে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শুধু প্রকল্প উদ্বোধন বা অবকাঠামো নির্মাণই উন্নয়ন নয়; জনগণ যখন তার বাস্তব সুফল ভোগ করবে, তখনই প্রকৃত উন্নয়ন দৃশ্যমান হবে।