
নদী ও সাগরে মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ভোলার মাছের বাজারে দেখা দিয়েছে দামের ঊর্ধ্বগতি। বিশেষ করে ইলিশ ও চিংড়ি মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। তবে পুকুর ও ঘেরে উৎপাদিত রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, পাঙ্গাসসহ চাষের মাছের দাম তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকায় কিছুটা স্বস্তি রয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। সাম্প্রতিক সময়ে ভোলার বাজারে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এর দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে।
শুক্রবার সকালে ভোলা শহরের বিভিন্ন মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশের দামও সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে গেছে। একইভাবে নদী ও সাগর থেকে চিংড়ির সরবরাহ কম থাকায় এ মাছের দামও বেড়েছে। বিক্রেতাদের দাবি, নদীতে মাছ কম ধরা পড়া এবং সরবরাহ সংকটের কারণেই দাম বাড়ছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় পুকুর ও ঘেরের রুই, কাতলা, মৃগেল, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসের বাজারে তেমন অস্থিরতা নেই। এসব মাছের দাম আগের তুলনায় প্রায় স্বাভাবিক থাকায় অনেক ক্রেতা বাধ্য হয়ে চাষের মাছের দিকেই ঝুঁকছেন।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, নদী ও সাগরে মাছের আহরণ বৃদ্ধি না পাওয়া পর্যন্ত ইলিশ ও চিংড়ির বাজারে স্বস্তি ফিরবে না। তবে মৌসুমের সঙ্গে সঙ্গে মাছের সরবরাহ বাড়লে দামও কিছুটা কমতে পারে বলে তাদের আশা।
এদিকে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি মাছের বাড়তি দামেও সাধারণ মানুষের সংসারের ব্যয় বেড়ে গেছে। ক্রেতারা বাজার মনিটরিং জোরদার এবং মাছের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।